শিক্ষার জন্য দেশে তৈরি এডুট্যাব

Date: 2026-02-04
news-banner

বাংলাদেশের শিক্ষার্থীর পড়াশোনা পদ্ধতি স্মার্ট করতে পার্সোনালাইজড এডুট্যাব তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের যে কোনো প্রান্তে বসে দেশসেরা শিক্ষকদের সঙ্গে পড়াশোনার সব ধরনের সুবিধা নিতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। বাসায় ব্যবহারযোগ্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীর জন্য বিশেষভাবে তৈরি এই ডিভাইসটি এখন সারাদেশে পাওয়া যাচ্ছে।

জানা গেছে, স্থানীয়ভাবে তৈরি এই ডিজিটাল ডিভাইস পড়াশোনার কৌশলকে সহজ করবে। এডুট্যাব স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবলেটের মতো কাজ করে। এর অ্যাপ স্টোরে সম্পূর্ণ অ্যাকসেস রয়েছে। শিখোর প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত এই ট্যাব তৈরি হয়েছে দেশের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রকৃত চাহিদা ও বিবেচনা করে।

অ্যান্ড্রয়েড ১৬ সংস্করণে পরিচালিত এই ট্যাবে রয়েছে হেলিও জি৯৯ অক্টাকোর প্রসেসর। এতে ব্যবহৃত হয়েছে ৮০০ বাই ১৩৪০ রেজল্যুশনের ৮.৬৮ ইঞ্চির আইপিএস ডিসপ্লে। এতে ৪ জিবি র‍্যাম ও ১২৮ জিবি স্টোরেজ থাকায় অ্যাপ ও শিক্ষামূলক কনটেন্ট সংরক্ষণ করা যাবে সহজেই। ৬ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি, যা ব্যাকআপ নিশ্চিত করবে। দ্রুতগতির ওয়াইফাই বা ফোরজি সমর্থিত নেটওয়ার্ক বা সুবিধায় ইন্টারনেট ব্রাউজিং হবে স্মুথ। সংযোগে রয়েছে ইউএসবি টাইপ-সি (২.০) পোর্ট। অনলাইন ক্লাসের সুবিধার্থে এতে রয়েছে ১৩ মেগাপিক্সেল রিয়ার ও ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা।

ওয়ালটন কম্পিউটার প্রোডাক্টের চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) তৌহিদুর রহমান রাদ জানান, শিশু ছাড়াও সব বয়সের শিক্ষার্থীর জন্য এটি সত্যিই সহায়ক ডিভাইস। গাইডেড প্র্যাকটিস, লাইভ ক্লাস, অ্যানিমেটেড লেসন ও এআই পরিচালিত স্মার্ট সাপোর্ট এই ডিভাইসে সমন্বয় করা হয়েছে। বাংলাদেশের জাতীয় পাঠ্যক্রমের শিক্ষার্থীর মুখোমুখি হওয়া নির্দিষ্ট একাডেমিক চাপ, ব্যবহারের ধরন ও সীমাবদ্ধতা পর্যবেক্ষণের পর বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয় এই মডেল। ডিভাইসে যখন সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার ও টিচিং প্র্যাকটিস একই সুতায় গাঁথা থাকে, তখন ডিজিটাল লার্নিং সময়ের চাহিদা পূরণ করে। ইতোমধ্যে বিশ্বের কয়েকটি দেশে এ ধরনের ডিভাইসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর পড়াশোনা পরিচালিত হচ্ছে, যা বেশ জনপ্রিয় শিক্ষা মাধ্যমের স্বীকৃতি পেয়েছে।

advertisement image

Leave Your Comments

Trending News