হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাঈম আশরাফকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করার ঘটনায় প্রায় দেড় ঘণ্টা চিকিৎসাসেবা বন্ধ ছিল। এতে হাসপাতালে আসা রোগীরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
জানা যায়, আজ বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সদর উপজেলার বনগাঁও গ্রামের তমাল নামের এক যুবক তার এক স্বজনকে চিকিৎসা করানোর জন্য ২৫০ শয্যা জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালে যান। এসময় হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক নাঈম আশরাফের সাথে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে ওই যুবক চিকিৎসককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। এ ঘটনার পরপরই জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ও অন্যান্য কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা তাৎক্ষণিকভাবে সেবা প্রদান বন্ধ রাখেন। এতে প্রায় দেড় ঘণ্টা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগ অচল হয়ে পড়ে। এসময় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ও গুরুতর অসুস্থ একাধিক রোগী জরুরি চিকিৎসা না পেয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েন।
খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও হবিগঞ্জ সদর থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত হাসপাতালে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা পুনরায় চালু করা হয়।
২৫০ শয্যা জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ আমিনুল হক সরকার বলেন, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থার দাবি জানাই।