আহমেদাবাদে রায়ান রিকেলটন ও কুইন্টন ডি ককের ব্যাটে ঝড়ের পূর্বাভাস ছিল। কিন্তু সেই ঝড় থামিয়ে দিয়ে দুর্দান্তভাবে ম্যাচে ফিরল আফগানিস্তান। শেষ পর্যন্ত এই দুই ওপেনারের জোড়া ফিফটিতে ভর করে আফগানদের সামনে ৬ উইকেটে ১৮৭ রানের পুঁজি দাঁড় করিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। জয়ের জন্য রশিদ খানদের করতে হবে ১৮৮ রান।
বুধবার টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি প্রোটিয়াদের। দলীয় স্কোরে বড় কোনো অবদান রাখার আগেই সাজঘরে ফেরেন অধিনায়ক এইডেন মার্করাম। ফজলহক ফারুকির বলে ৮ বলে ৫ রান করে আউট হন তিনি।
তবে সেই ধাক্কা সামলে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন রায়ান রিকেলটন ও কুইন্টন ডি কক। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ১ উইকেটে ৪৩ রান তোলে দলটি। এরপর উইকেটের চারদিকে রীতিমতো তাণ্ডব চালান এই দুই বাঁহাতি ব্যাটার। দ্বিতীয় উইকেটে মাত্র ৬১ বলে ১১৪ রানের বিধ্বংসী জুটি গড়েন তারা। মনে হচ্ছিল, দলীয় সংগ্রহ সহজেই ২০০ ছাড়িয়ে যাবে।
ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন আফগান অধিনায়ক রশিদ খান। একই ওভারে দুই সেট ব্যাটারকে ফিরিয়ে রানের গতিতে লাগাম টানেন তিনি। ৪১ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৫৯ রান করে প্রথমে আউট হন ডি কক। ওই ওভারেই ২৮ বলে ৬১ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলে বিদায় নেন রিকেলটন। তার ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ৪টি ছক্কা। এরপর আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের তোপে পড়ে প্রোটিয়া মিডল অর্ডার। ১৯ বলে ২৩ রান করা ডেওয়াল্ড ব্রেভিস এবং ১ রান করা ত্রিস্তান স্টাবসকে একই ওভারে ফেরান এই পেসার।
শেষদিকে ডেভিড মিলারের ১৫ বলে ২০ এবং মার্কো জানসেনের ৬ বলে ১৬ রানের ক্যামিও ইনিংসে ১৮৭ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকা। আফগান বোলারদের মধ্যে আজমতউল্লাহ ওমরজাই ৩টি এবং রশিদ খান ২টি উইকেট শিকার করেন।