ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে রাঙামাটির ২১৩টি কেন্দ্রের মধ্যে সীমান্তবর্তী চার উপজেলার দুর্গম ২০টি ভোট কেন্দ্রকে অতি ঝুঁকিপূর্ণ চিহিৃত করা হয়েছে। অনেক কেন্দ্রের মধ্যে সহজ স্থলপথ নেই। হেলিকপ্টারের মাধ্যমে এসব কেন্দ্রে ব্যালট বাক্স পাঠিয়েছে প্রশাসন।
সীমান্তের বাইরে থাকা ১৪৯টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ও ৪৪টি সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে রাঙামাটিতে। ঝুঁকি এড়াতে নির্বাচন কমিশন অতি ঝুঁকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।
জানা গেছে, এ আসনে চার উপজেলার দুর্গম ৯টি ইউনিয়নে ২০টি ভোট কেন্দ্রকে অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহিৃত করা হয়েছে। এসব ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে পায়ে হেঁটে গেলে দুই থেকে তিন দিন সময় লাগে। সেখানে হেলিকপ্টারে নির্বাচনী সরঞ্জাম ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভোটকেন্দ্রে পৌঁছানো হয়েছে। এসব কেন্দ্রে মোট ভোটার রয়েছে ৩৩ হাজার ১২ জন।
বাঘাইছড়ি উপজেলার দুর্গম চারটি ইউনিয়নের ৬টি ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা রয়েছে ১০ হাজার ৮৮৫জন। এসব ভোটকেন্দ্র রাঙামাটি সদর থেকে কমপক্ষে একশ কিলোমিটার দূরে।
বরকল উপজেলার ২টি ইউনিয়নের দুটি ভোট কেন্দ্রে ভোটার রয়েছে ৪ হাজার ৯০ জন। রাঙামাটি সদর থেকে এর দূরত্ব কমপক্ষে ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার।
জুরাছড়ি উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের ৭টি ভোট কেন্দ্রে ভোটার রয়েছে ১০ হাজার ১২৪ জন। রাঙামাটি সদর থেকে এসব ভোট কেন্দ্রগুলো দূরত্ব একশত কিলোমিটার। বিলাইছড়ি উপজেলার দুটি ইউনিয়নের ৫টি ভোট কেন্দ্রে ভোটার রয়েছে ৭ হাজার ৯১৩ জন। ভোট কেন্দ্রগুলো রাঙামাটি সদর থেকে একশত কিলোমিটার দূরে রয়েছে।
রাঙামাটির অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা রির্টানিং কর্মকর্তার পক্ষে নিশাত শারমিন জানান, নির্বাচন কমিশন থেকে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরার জন্য যেটুকু বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে সেটুকু পাওয়া যায়নি। যেটুকু বরাদ্দ পাওয়া গেছে গুরুত্ব অনুযায়ী কেন্দ্রগুলোতে সেই সিসিটিভি ক্যামরা স্থাপন করা হয়েছে।
তিনি জানান, অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তার জন্য অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।