জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) পাঁচটি শিক্ষাবর্ষের সিজিপিএর ভিত্তিতে ৪০০ মেধাবী শিক্ষার্থীকে ‘মেরিট অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। ২০১৯-২০ (১৫তম ব্যাচ) থেকে ২০২৩-২৪ (১৯তম ব্যাচ) শিক্ষাবর্ষের প্রতিটি বিভাগের সিজিপিএ অনুযায়ী প্রথম থেকে পঞ্চম স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থী এবং প্রত্যেক ব্যাচের সিআরদের এই সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
তিন দিনব্যাপী এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থীর হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।
মেরিট অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক, ব্যাগ, চাবির রিং, উত্তরীয় ও কলম উপহার দেওয়া হয়। আয়োজকরা জানান, মোট প্রায় ১ হাজার ২০০ শিক্ষার্থীকে পর্যায়ক্রমে সংবর্ধনা দেওয়া হবে।
অনুভূতি প্রকাশ করে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী স্বপন বলেন, ‘ছাত্রদলের পক্ষ থেকে মেধাবী শিক্ষার্থীদের যে মেরিট অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। এতে শিক্ষার্থীদের পরিশ্রম ও সাফল্যের প্রতি সম্মান জানানো হয়েছে।
এমন স্বীকৃতি আমাদের আরো ভালোভাবে পড়াশোনা করার অনুপ্রেরণা দেয়। শিক্ষার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
সংবর্ধনা পাওয়া আরেক শিক্ষার্থী সাদমান সাকিব বলেন, ‘ছাত্রদল শোডাউন ও ক্ষমতাভিত্তিক রাজনীতি থেকে সরে এসে নৈতিক ও অংশগ্রহণমূলক রাজনীতির চর্চা করছে, যা সত্যিই প্রশংসনীয়। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা আরো বাড়বে।
’
এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীই মেধাবী। তবে সিজিপিএর ভিত্তিতে নিজ নিজ ব্যাচে প্রথম থেকে পঞ্চম স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের বিশেষভাবে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। এই অনুষ্ঠানটি আরো আগে আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল, তবে কিছু জটিলতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। এ জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’
ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১ হাজার ২০০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
এর অংশ হিসেবে প্রথম দিনে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সব বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই দিনে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য অনুষদের শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে।’